উপকার-অপকারের মালিক একমাত্র আল্লাহ — এই আকীদা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
আয়াতুল কুরসি উপকারিতা:-
আল্লাহর স্মরণে থাকার অনুভূতি
ভয় বা দুশ্চিন্তায় মানসিক সাহস পাওয়া
ঘরে কুরআনের আয়াত থাকার কারণে বরকতের আশা করা
শয়তানি কুমন্ত্রণা থেকে আল্লাহর সাহায্য কামনা করা
ভ্রমণ বা রাতে নিরাপত্তার দোয়া হিসেবে মনে রাখা
আয়াতুল কুরসির ফজিলত:-
সবচেয়ে মহান আয়াত
হাদিসে এসেছে, কুরআনের সবচেয়ে মহান আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি। Muhammad সাহাবী উবাই ইবনে কা’ব (রা.)-কে এ কথা বলেছেন।
শয়তান থেকে সুরক্ষা
রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়লে আল্লাহর পক্ষ থেকে হেফাজতকারী নিযুক্ত হন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান কাছে আসতে পারে না—এমন বর্ণনা সহিহ হাদিসে এসেছে।
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর পড়ার ফযিলত
হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কিছু বাধা থাকে না।
ঘর ও পরিবারের বরকত
অনেক আলেম বলেছেন, নিয়মিত তিলাওয়াত করলে ঘরে শান্তি, বরকত ও অশুভ প্রভাব থেকে নিরাপত্তা পাওয়া যায়।
আল্লাহর মহত্ত্ব ও তাওহীদের ঘোষণা
এই আয়াতে আল্লাহর একত্ব, ক্ষমতা, জ্ঞান ও আরশের মহিমা বর্ণিত হয়েছে। তাই এটি ঈমানকে শক্তিশালী করে।
ভয় ও অশান্তির সময় পড়া
অনেকে ভয়, দুশ্চিন্তা বা বিপদের সময় আয়াতুল কুরসি পড়ে মানসিক প্রশান্তি অনুভব করেন।
জিন-শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার আমল
রুকইয়াহ বা কুরআনিক চিকিৎসাতেও আয়াতুল কুরসি গুরুত্বপূর্ণভাবে পড়া
ব্যবহার নিয়ামাবলী:-
১. ওয়াশরুমে বা অপবিত্র স্থানে যাওয়ার আগে খুলে রাখতে হবে।
২. ডান হাতে পড়তে হবে।
৩. মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক এর সময় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।


















Reviews
There are no reviews yet.